শীতে ঘুম কমে কেন?
January 18, 2026ঘুম না হওয়া কি ডিপ্রেশনের লক্ষণ?
January 21, 2026Winter blues কী? কেন শীতে মন খারাপ লাগে?
শীতকালে অনেকেই অকারণে মন খারাপ, অলসতা বা আগ্রহহীনতা অনুভব করেন। সারাদিন কিছু করতে ইচ্ছা না হওয়া, একা থাকতে চাওয়া কিংবা নেতিবাচক ভাবনা বেড়ে যাওয়া—এসব লক্ষণ শীতে বেশি দেখা যায়। অনেক সময় আমরা এটাকে স্বাভাবিক মন খারাপ বলে এড়িয়ে যাই। কিন্তু দীর্ঘদিন এমন থাকলে তা মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই Winter blues কী এবং মন খারাপ থাকলে কী করবেন—এ বিষয়ে জানা খুবই জরুরি।
Winter blues কী?
শীতকালে দেখা দেওয়া একটি সাময়িক মানসিক অবস্থাকে Winter blues বলা হয়, যেখানে মানুষ মন খারাপ, ক্লান্তি বা আগ্রহের অভাব অনুভব করে।
এই সমস্যাটি সাধারণত মৌসুমি পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সামান্য যত্ন ও সচেতনতায় নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
Winter blues কেন হয়?
শীতকালে মন খারাপ হওয়ার পেছনে কয়েকটি সাধারণ কারণ কাজ করে—
-
সূর্যের আলো কম পাওয়ার ফলে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হওয়া
-
দিনের আলো কমে যাওয়ায় ঘুমের ছন্দ বদলে যাওয়া
-
ঠান্ডার কারণে ঘরের ভেতরে বেশি সময় থাকা
-
শারীরিক পরিশ্রম ও সামাজিক যোগাযোগ কমে যাওয়া
-
মানসিক চাপ বা একাকিত্ব
মন খারাপ থাকলে কী করবেন?
Winter blues মোকাবিলায় কিছু সহজ অভ্যাস বেশ কার্যকর—
-
প্রতিদিন কিছু সময় রোদে থাকা
-
নিয়মিত হালকা ব্যায়াম বা হাঁটা
-
পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো
-
পুষ্টিকর খাবার ও পর্যাপ্ত ঘুম
-
নিজের অনুভূতি কাউকে জানানো
শীতের মন খারাপকে দুর্বলতা ভাববেন না—সময়মতো সচেতনতা ও সহায়তাই মানসিক সুস্থতার প্রথম ধাপ।
Open Care কীভাবে আপনাকে সাহায্য করে?
Winter blues কী এবং মন খারাপ থাকলে কী করবেন—এ বিষয়ে নির্ভরযোগ্য মানসিক স্বাস্থ্য তথ্য Open Care-এর মাধ্যমে পাওয়া যায়।
পাশাপাশি অভিজ্ঞ ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্টের অনলাইন পরামর্শ নিয়ে ঘরে বসেই মানসিক যত্ন নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।
Open Care জনসাধারণের জন্য যেভাবে সহায়ক—
-
মানসিক স্বাস্থ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক তথ্য
-
অনলাইন সাইকোলজিস্ট পরামর্শের সুবিধা
-
নিরাপদ ও গোপনীয় সহায়তা ব্যবস্থা
-
প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক দিকনির্দেশনা
শেষ কথা
Winter blues একটি সাধারণ কিন্তু গুরুত্ব দেওয়ার মতো মানসিক অবস্থা। শীতকালে মন খারাপ লাগা অস্বাভাবিক নয়, তবে সেটিকে অবহেলা করাও ঠিক নয়। নিজের অনুভূতির প্রতি যত্নশীল হওয়া, স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলা এবং প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের সহায়তা নেওয়াই মানসিক সুস্থতার সঠিক পথ।